• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
Headline
কুলিয়ারচরের সালুয়া ইউপি নির্বাচনে বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা পাকুন্দিয়ায় পোনামাছ অবমুক্তকরণ করেন এড:জালাল উদ্দীন এমপি পাকুন্দিয়ায় পারিবারিক কলহ বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই নিহত, অভিযুক্ত বড় ভাই গ্রেপ্তার ৩নং গোবিন্দপুর ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে হিমেলের সমর্থনে মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল কুলিয়ারচরে তিন মাসব্যাপী পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু মশক নিধন অভিযান উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালি আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নে নির্বাচনের প্রস্তুতি, দলীয় মনোনয়ন চান বিএনপি নেতা মারশাফি বিন মর্তুজা আনোয়ার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে মানুষের দোরগোড়ায় সুলতানা উদ্দিন আরশ কালের সাক্ষী ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক গোল মসজিদ চন্ডিপাশা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী হাওয়া: বিএনপির ৪ জামায়াতে ১ স্বতন্ত্র ২জন সহ সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর গণসংযোগ শোক সংবাদ, শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই

সীমান্তে আটকা থাকা, সেই বৃদ্ধাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

Reporter Name / ১৮৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

সীমান্তে আটকা থাকা, সেই বৃদ্ধাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জামালপুর:
জামালপুর জেলাধীন বকশীগঞ্জ উপজলার সীমান্তে রামরামপুর এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে শুন্য রেখায় আটকে থাকা সেই বৃদ্ধা(৬৮) ষষ্টি চন্দ্র  বর্মনকে তার পরিবাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ ও জামালপুর ৩৫ বিজিবি সদস্যরা ওই বৃদ্ধের ভাই ভবানী বর্মনের কাছে হস্তান্তর করে। ষষ্টি চন্দ্র বর্মন রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ষষ্টি চন্দ্র বর্মন গত দুই মাস আগে বাড়ী থেকে নিখোঁজ হন। গতকাল বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলে ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে শূণ্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শূণ্য রেখা থেকে ষষ্টি চন্দ্র বর্মন বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা প্রদান করে। পরে তিনি আবার শূণ্য রেখায় চলে যান। এ নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফ এর সদস্যদের মাঝে উত্তেজনা পরিস্থিতি সমাধানের স্বার্থে পতাকা বৈঠক হলেও কোন পক্ষই ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে নিতে রাজী হয়নি। পরে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিকাল ৫ টার দিকে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে। এই সময় বাংলাদেশী নাগরিকদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ভারতীয়রা। এরপর সীমান্তের পরিবেশ শান্ত হলেও ষষ্টি চন্দ্র বর্মন কোন দেশে ঠাই না পেয়ে সারারাত শূণ্য রেখায় অবস্থান করে। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে পুশইনের ভিডিও ও ছবি দেখে তার পরিবারের লোকজন চিনতে পারে। পরে পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরিচয় যাচাই-বাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় এবং বকশীগঞ্জ থানায় পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী থেকে ষষ্টি চন্দ্র বর্মন কে নিতে তার বড় ভাই ভবানী বর্মন ও মেয়ে জামাই বকশীগঞ্জ থানায় আসেন। এ সময় ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ষষ্টি চন্দ্র বর্মন। পরে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকালে পরিবাবের কাছে হস্তান্তর করে দেন। বিকাল ৫ টার দিকে একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাস ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে নিয়ে জামালপুর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের বড় ভাই ভবানী বর্মন বলেন, আমার ভাই দুই মাস আগে হঠাৎ নিখোঁজ হয়। আমরা গরিব মানুষ, টাকা পয়সা নেই তাই পুলিশের কাছে যাইনি। কাল আমার ছেলে একটা ভিডিও দেখে বলে যে কাকা কে জামালপুর সীমান্তে পাওয়া গেছে। পরে আমরা বিজিবির সাথে যোগাযোগ করি। আজ এখানে এসে আমার ভাইকে ফিরে পেলাম।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মকবুল হোসেন বলেন, সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের পরিবার আমাদের সাথে যোগাযোগ করে তার পরিচয় নিশ্চিত করে। পরে আজ বিকালে যাচাই বাচাই শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা