• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
Headline
কালের সাক্ষী ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক গোল মসজিদ চন্ডিপাশা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী হাওয়া: বিএনপির ৪ জামায়াতে ১ স্বতন্ত্র ২জন সহ সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর গণসংযোগ শোক সংবাদ, শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই হোসেনপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরের আম গাছে বিশাল ভিমরুলের চাক, আতঙ্কে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ কুলিয়ারচর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রর্থীতা ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় হাজী মো. শাহ্ আলম কবি আলমগীর খোরশেদের শুভ জন্মদিন কুলিয়ারচরে র‍্যাবের অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজাসহ আটক-১; ছবি ও ভিডিও ধারনে সাংবাদিকদের বাধা হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে সমবায় বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হোসেনপুরে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত  হোসেনপুরে “মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা” প্রতিপাদ্যে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

পাকুন্দিয়ার শিমুলিয়ায় ফিশারির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জনদুর্ভোগ

Reporter Name / ৩৬৩ Time View
Update : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

পাকুন্দিয়ার শিমুলিয়ায় ফিশারির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জনদুর্ভোগ

নিজস্ব সংবাদ দাতা :

টানা বর্ষণে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নে শিমুলিয়া গ্রাম এলাকায় দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অধিকাংশ বাসিন্দা হতদরিদ্র ও দিনমজুর হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ আরও চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। এক ঘর থেকে অন্য ঘরে যেতে ইট, কংক্রিট, কাঠের টুকরো ও বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতে হচ্ছে, যাতে পানিতে পা না পড়ে। পানি বেড়ে গেলে রান্নাবান্নাও বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি টয়লেটেও পানি ঢুকে পড়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। পাশাপাশি এলাকায় সাপের উপদ্রবও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, গত তিন বছর ধরে সামান্য বৃষ্টি হলেই এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। দুই-তিন দিন পর পানি শুকিয়ে গেলেও এবার টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টি ও দুটি সড়ক পানি নিষ্কাশনের কোনো সুযোগ নেই।

গতকাল সাংবাদিক সাঈদুল ইসলাম বাড়ির সামনে এলাকা ও মেজর মতিউর রহমান বাড়ি এলাকার বসবাসরত প্রতিটি পরিবারের রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যায়। টানা বৃষ্টিতে অনেকের খাটের ওপর পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম কষ্টে রাত কাটাতে হচ্ছে তাদের। বৃষ্টির কারণে সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, গ্রামের চারপাশে বিভিন্ন ফিশারির করা হলেও পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে বছরের প্রায় চার মাসই তারা এ ধরনের জলাবদ্ধতার শিকার হন। দীর্ঘদিন পানিতে চলাচল করার কারণে অনেকেই পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এমনকি প্রতিবেশীদের সঙ্গে জানালার মাধ্যমেই যোগাযোগ করতে হচ্ছে।

এ অবস্থায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তারা স্বাভাবিক জীবনযাপনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন।

এ বিষয়ে পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতিউর রহমান সুরুজ বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করব।
সূএ-এম এ হান্নান/ পি পি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা