
নিজস্ব সংবাদদাতা:
১০ সেপ্টেম্বর কবি, ছড়াকার, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও হারানো গ্রামীণ ঐতিহ্যের লেখক আলমগীর খোরশেদের জন্মদিন। ১৯৬৯ সালের এইদিনে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলাধীন নারান্দী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। ছড়া, কবিতা, গল্প, শিশুতোষ গল্প, নিবন্ধ, উপন্যাস, মিলিয়ে এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত গ্রন্থ পঁচিশটি। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ– এখন দুঃসময়, পাথর সময়, চন্দ্রমুখী, কেউ আছো কি, বুকের বাম পাঁজরের নিচে, কিশোরগঞ্জ জেলার আঞ্চলিক ভাষায় রচিত কাব্যগ্রন্থ– গাঁও গেরামের কাব্য, উপন্যাস– দূরের নীল প্রজাপতি, জ্যোৎস্নালোকে অমানিশা, প্রিয় দর্শিনী, গল্পগ্রন্থ– শান্তা নামের মেয়েটি, হৃদয়ের রক্তক্ষরণ, ভালোবাসায় চোরাকাঁটা, সম্পর্কের সমীকরণ, ছড়াগ্রন্থ– ছড়াওয়ালা শিয়ালমামা, নিবন্ধগ্রন্থ– সম্পর্কের রসায়ন, শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ–শালিক ও তার ছানারা, শ্যাঁওড়া গাছের ভুত, মঙ্গল গ্রহের যাত্রী, শিয়াল দাদুর সভা, এলিয়েনের দেশে। তার হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য নিয়ে গবেষণা মূলক লেখার আশি পর্ব দৈনিক বাংলা ও প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে পাঠক সমাদৃত হয়েছে।
কবি আলমগীর খোরশেদ এর প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে দৈনিক জাহান পত্রিকায়। শিশু সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন, সুকুমার রায় সাহিত্য পদক, কানামাছি শিশুসাহিত্য পুরস্কার, বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা স্মারক, ঢাকা সাহিত্য পরিষদ সম্মাননা, মিজাফ তারকা এওয়ার্ড ও অচ্ছুৎ দুই বাংলা সাহিত্য সম্মিলন সম্মাননা।